ডেস্ক রিপোর্ট: কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে ‘নিখোঁজ’ হওয়ার একদিন পর লাকসাম থেকে উদ্ধার হওয়া বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান মিয়া প্রধানের (২৮) বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ এবং জোরপূর্বক গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।
১৩ জুন শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কুমিল্লা জেলা পুলিশ জানায়, জিসানকে অপহরণ করা হয়নি; তিনি স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে ছিলেন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২০ মে দাউদকান্দির একটি ভাড়া বাসায় বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক তরুণীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন জিসান। পরে ওই তরুণী অন্তঃসত্ত্বা হলে ওষুধের মাধ্যমে ভ্রূণ নষ্ট করা হয়। এরপর বিয়ের জন্য চাপ দিলে জিসান সম্মতি দিলেও নির্ধারিত সময়ের আগে আত্মগোপনে চলে যান।
পুলিশ জানায়, গত ১১ জুন বৃহস্পতিবার তিনি নিজেই আত্মগোপনে যান এবং তার চাচাতো ভাই রাসেল আহমেদের মাধ্যমে থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করান।
সমকালের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, জিসানের উদ্ধারের খবর পাওয়ার পর ১২ জুন শুক্রবার রাতে ওই তরুণী বাদী হয়ে দাউদকান্দি মডেল থানায় মামলা করেন। মামলায় ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্ট করার অভিযোগ আনা হয়েছে।
কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, তদন্তে অপহরণের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ব্যক্তিগত একটি ঘটনার জেরে জিসান আত্মগোপনে ছিলেন। ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার রাত ১০টার দিকে লাকসাম রেলওয়ে জংশন এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ।
অভিযুক্ত জিসান মিয়া প্রধান বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক সম্পাদক এবং সংগঠনটির কুমিল্লা পশ্চিম জেলা শাখার সাবেক সভাপতি।
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available