• ঢাকা
  • |
  • মঙ্গলবার ১০ই চৈত্র ১৪৩২ রাত ১০:৩৩:৪১ (24-Mar-2026)
  • - ৩৩° সে:

রামেক হাসপাতালে বেড়েছে ঠান্ডাজনিত রোগী, সতর্ক থাকার পরামর্শ

২৩ জানুয়ারী ২০২৪ দুপুর ১২:২৮:৩২

রামেক হাসপাতালে বেড়েছে ঠান্ডাজনিত রোগী, সতর্ক থাকার পরামর্শ

রাজশাহী ব্যুরো: রাজশাহীতে চলতি বছরে শীত নেমেছে দেরি করে। এই জানুয়ারি মাসের আগেও তেমন শীতের দাপট ছিল না। আগে জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহজুড়েই মাঝারি থেকে তীব্র শৈত্য প্রবাহের কবলে থাকতো রাজশাহী।

কিন্তু গেল ৩, ৪ বছর থেকে সেই অর্থে শীত পড়েনি। চলতি বছর তাও ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে তাপমাত্রা নামল এই দুদিন ১৩ ও ২০ জানুয়ারি। এছাড়া দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা গড়ে ১০ ডিগ্রি থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যেই ওঠানামা করছে। তবে এই শীতেই বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে রাজশাহীর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।

Ad
Ad

সর্বনিম্ন তাপমাত্রা খুব নিচে না নামলেও রোদ না ওঠায় কম থাকছে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আর সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার ব্যবধান কমে আসায় হাড় কাঁপানো শীত অনুভূত হচ্ছে। প্রায় দুই সপ্তাহ থেকে বিকেলের আগে সূর্যের মুখ দেখা যাচ্ছে না। আর রোদ ওঠার কিছুক্ষণ পরই মেঘ বা কুয়াশায় তা ঢেকে যাচ্ছে। মেঘ এবং ঘন কুয়াশার মধ্যেই বইছে উত্তরের হিমেল হাওয়া।

Ad

এতে শীতার্ত মানুষগুলো যারপরনাই দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। বিশেষ করে বস্তি এলাকা, রেলওয়ে স্টেশন ও বিভিন্ন ফুটপাতের ওপর খোলা আকাশের নিচে থাকা ভাসমান মানুষগুলোর জীবন অসহনীয় এবং অবর্ণনীয় হয়ে উঠেছে। এক দিকে শীতের কষ্ট আরেক দিকে ক্ষুধা। কনকনে শীতের এই একেকটি দিন তাদের কাছে পাহাড়ের মতো হয়ে উঠেছে। শীতের হাত থেকে বাঁচতে পথের ধারে খড়কুটো, প্লাস্টিক, টায়ার ইত্যাদি জ্বালিয়ে তারা শীতের কামড় থেকে বাঁচার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

এদিকে শীত বাড়ায় রাজশাহীতে ঠাণ্ডা জনিত নানা রোগের প্রাদুর্ভাবও বেড়েছে। শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ডায়রিয়া ও সর্দি-জ্বর-কাশি নিয়ে রোগী ভর্তি বাড়ছে হাসপাতালগুলোতে। আর আক্রান্তদের মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধদের সংখ্যাই বেশি। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে বর্তমানে নিউমোনিয়া, অ্যাজমা, শ্বাসকষ্ট ও ডায়রিয়াসহ শ্বাসতন্ত্রের নানান রোগে মানুষ জর্জরিত। তাই পুরো জেলায় সতর্কতা জারি করেছে চিকিৎসকরা। 

Recent comments

Latest Comments section by users

No comment available

সর্বশেষ সংবাদ












Follow Us