নিজস্ব প্রতিবেদক : নবম পে-স্কেল ঘোষণার দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থান নিয়েছিল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এ সময় দফায় দফায় লাঠিচার্জ, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে আন্দোলনকারীদের যমুনা এলাকা ছাড়তে বাধ্য করে পুলিশ। সেই সঙ্গে এলাকাটিতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

৬ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার দুপুর ১টার পর আন্দোলনরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যমুনার সামনে থেকে সরে শাহবাগের দিকে চলে যান। এ সময় কয়েকজন আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়।


এর আগে, বেলা ১১টার দিকে আন্দোলনকারীরা ঘোষণা দিয়ে যমুনার উদ্দেশে মিছিল নিয়ে রওনা হন। শাহবাগ মোড়ে পৌঁছালে তারা প্রথম পুলিশি বাধার মুখে পড়েন। সেখানে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন থাকলেও লাঠিচার্জ করা হয়নি। তবে জলকামান ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করা হয়।
পরে পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে আন্দোলনকারীরা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় হয়ে যমুনার সামনে পৌঁছান। সেখানে তারা সড়কে বসে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। বেলা সাড়ে ১১টার পর ঘটনাস্থলে আরও পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়। একই সঙ্গে বিজিবির সদস্যরাও সেখানে অবস্থান নেন।
প্রথমে আন্দোলনকারীদের শান্তিপূর্ণভাবে সরে যাওয়ার অনুরোধ জানায় পুলিশ। তবে তারা তা প্রত্যাখ্যান করলে পুলিশ অভিযান শুরু করে। আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দিতে বারবার জলকামান ব্যবহার করা হয় এবং সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করা হয়।
পুলিশি অভিযানের মুখে আন্দোলনকারীরা রমনা পার্কের ভেতরে ঢুকে পড়েন। সেখানেও পুলিশ তাদের ধাওয়া দেয়। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। দুপুর ১২টার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ ব্যাপকভাবে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে অভিযান চালায়।
এ সময় একাধিক সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করা হয়। এতে কয়েকজন আন্দোলনকারী আহত হন বলে জানা গেছে। দুপুর ১টার পর আন্দোলনকারীরা যমুনা এলাকা পুরোপুরি ছেড়ে শাহবাগের দিকে সরে যান। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে চার-পাঁচজন আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়।
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available