রাত ১০টা পর্যন্ত শপিং মল খোলা রাখার দাবি এফইএবির
ডেস্ক রিপোর্ট: আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের শপিং মলগুলো রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি জানিয়েছে ফ্যাশন এন্টারপ্রেনারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এফইএবি)।৫ মে মঙ্গলবার সংগঠনটির সভাপতি আজহারুল হক আজাদ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঈদকে কেন্দ্র করে দেশের বাণিজ্যিক কার্যক্রমে স্বাভাবিকভাবেই গতি আসে। বিশেষ করে দেশীয় ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল খাতের জন্য এটি বছরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিক্রয় মৌসুম।তবে বর্তমান জ্বালানি সাশ্রয় নীতির কারণে সরকার নির্ধারিত শপিং মলের সময়সূচি বাস্তবায়িত হলেও বাস্তব পরিস্থিতিতে তা পুনর্বিন্যাস করা জরুরি হয়ে পড়েছে বলে মনে করছে সংগঠনটি।এফইএবির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, শপিং মলের মোট বিক্রয়ের প্রায় ৬০ শতাংশই হয় সন্ধ্যার পর, আর দিনের বেলায় হয় প্রায় ৪০ শতাংশ। তীব্র গরম ও কর্মব্যস্ততার কারণে দিনে ক্রেতা কম থাকায় সন্ধ্যার পরই মূল কেনাকাটা শুরু হয়। কিন্তু বর্তমান সময়সূচি অনুযায়ী সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে শপিং মল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ব্যবসার গুরুত্বপূর্ণ সময়ের একটি বড় অংশ নষ্ট হচ্ছে। এতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়ছেন বলেও উল্লেখ করা হয়।সংগঠনটি আরও জানায়, পাড়া-মহল্লার দোকান, রেস্টুরেন্ট, খোলা বাজার ও অস্থায়ী মেলাগুলো রাত পর্যন্ত খোলা থাকলেও শপিং মলের ক্ষেত্রে আলাদা সময়সীমা বজায় থাকায় বাজারে অসম প্রতিযোগিতা তৈরি হচ্ছে।এ পরিস্থিতিতে এফইএবি প্রস্তাব করেছে, শপিং মল ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো দুপুর ১টা থেকে কার্যক্রম শুরু করে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখা যেতে পারে। এতে একদিকে জ্বালানি সাশ্রয় আংশিকভাবে বজায় থাকবে, অন্যদিকে ঈদ মৌসুমে ব্যবসা-বাণিজ্যের স্বাভাবিক গতি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।সংগঠনটি মনে করে, এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, দেশীয় ফ্যাশন ব্র্যান্ড, নারী উদ্যোক্তা এবং সংশ্লিষ্ট বৃহৎ কর্মসংস্থানের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। শপিং মলের সময়সূচি পুনর্বিবেচনায় সরকারকে দ্রুত বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে তারা।