• ঢাকা
  • |
  • সোমবার ১০ই ফাল্গুন ১৪৩২ রাত ০৩:২৩:০৩ (23-Feb-2026)
  • - ৩৩° সে:
বগুড়া-৬ আসনে আলোচনায় জুবাইদা, জাইমা ও শামিলা

বগুড়া-৬ আসনে আলোচনায় জুবাইদা, জাইমা ও শামিলা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বগুড়া-৬ আসনে উপ-নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে। সদ্য অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে দুই আসনে জয়ী হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকার ঢাকা-১৭ আসন রেখে বগুড়া-৬ ছেড়ে দেওয়ায় এই উপ-নির্বাচন অনিবার্য হয়ে উঠেছে।এই আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আছেন- প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, তার মেয়ে জাইমা রহমান ও প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর সহধর্মিণী সৈয়দা শামিলা রহমান।জেলা বিএনপির নেতা এবং অন্যান্য রাজনৈতিক বিশ্লেষকের মতে, বগুড়া-৬ শুধু একটি আসন নয়, এটি দলের ঐতিহ্য ও সরকারের রাজনৈতিক বার্তার সঙ্গে যুক্ত। প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে স্থানীয়ভাবে পরীক্ষিত নেতাদের ওপর জোর দেওয়ার কথাও বলা হচ্ছে।অন্যান্য সম্ভাব্য প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন: সাবেক সংসদ সদস্য হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, জেলা পর্যায়ের প্রভাবশালী নেতা সাবেক পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান, জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা।জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা জানান, ‘দলের নীতিগত সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে আসনটি ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, তিনিই প্রার্থী হবেন।’অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামী এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। দলের বগুড়া শহর আমির আবিদুর রহমান সোহেল বলেন, ‘বিষয়টি কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যালোচনায় রয়েছে। সিদ্ধান্ত আসার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারিত হবে।’স্থানীয় ভোটাররা আশা প্রকাশ করেছেন, প্রার্থী শুধু বড় নাম না, বরং কাজের মানুষ হোক। তারা স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও স্থানীয় উন্নয়নে সক্রিয় এমপি চাইছেন।বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি সরকার গঠনের পর প্রথম উপ-নির্বাচন, তাই এখানে যিনি প্রার্থী হবেন, তিনি কার্যত সরকারের মুখ হিসেবে বিবেচিত হবেন।১৯৯০ সালের পর বগুড়া-৬ আসনে একাধিকবার উপ-নির্বাচন হয়েছে। ১৯৯১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত বেগম খালেদা জিয়া এই আসন থেকে বারবার নির্বাচিত হয়েছেন। ২০১৮ সালে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচিত হন, তবে তিনি শপথ নেননি। পরবর্তী ২০১৯ সালের উপ-নির্বাচনে বিজয়ী হন গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ। ২০২৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেয়নি।