• ঢাকা
  • |
  • শনিবার ৩০শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ রাত ১০:৫৩:১৫ (13-Jun-2026)
  • - ৩৩° সে:
বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার ইলন মাস্ক

বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার ইলন মাস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্বের শীর্ষ ধনী ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক এখন ইতিহাসের পাতায় নতুন এক রেকর্ড গড়েছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার বা এক লাখ কোটি ডলারের মালিক হয়েছেন।ইলন মাস্কের এই অভাবনীয় সম্পদ বৃদ্ধি মূলত তার মালিকানাধীন মহাকাশ ও প্রযুক্তি কোম্পানি স্পেসএক্সের শেয়ারবাজারে অভিষেক ঘিরে বড় উত্থানের পর আসে।শুক্রবার বাজারে প্রথম দিনেই স্পেসএক্সের শেয়ারের দাম ২০ শতাংশ বেড়ে যায়। প্রাথমিকভাবে প্রতি শেয়ারের দাম ১৩৫ ডলার নির্ধারণ করা হলেও লেনদেন শুরুর পরপরই তা ১৫০ ডলারে উঠে যায় এবং দিন শেষে ১৬১.১১ ডলারে স্থিত হয়।রকেট, স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক এই কোম্পানি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর এর মোট বাজারমূল্য ২ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে বলে জানা গেছে। এই সাফল্যের ফলে স্পেসএক্স এখন বিশ্বের শীর্ষ কর্পোরেশনগুলোর মধ্যে অন্যতম অবস্থানে পৌঁছে গেছে।গবেষণা প্রতিষ্ঠান রেনেসাঁ ক্যাপিটালের তথ্য অনুযায়ী, শেয়ারবাজারে আসার আগেই স্পেসএক্স প্রায় ৭৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ সংগ্রহ করেছিল।প্রথম দিনের এই উত্থানে স্পেসএক্সের বাজারমূল্য ছাড়িয়ে গেছে মার্কিন জায়ান্ট ওয়ালমার্ট ও জেনারেল মোটরসের সম্মিলিত মূল্যকেও। এমনকি বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল কোম্পানি সৌদি আরামকোর ২০১৯ সালের ১.৭ ট্রিলিয়ন ডলারের রেকর্ডকেও অতিক্রম করেছে প্রতিষ্ঠানটি।বর্তমানে স্পেসএক্সে মাস্কের সরাসরি মালিকানা প্রায় ৪২ শতাংশ, যা তাকে কোম্পানির কৌশলগত নিয়ন্ত্রণে রাখছে।প্রযুক্তি জগতে মাস্কের যাত্রা শুরু হয় ৯০ এর দশকে। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা ছেড়ে তিনি গড়ে তোলেন একাধিক স্টার্টআপ, যার একটি পরবর্তীতে পেপ্যাল হয়ে ওঠে এবং ২০০২ সালে ই-বে’র কাছে ১.৫ বিলিয়ন ডলারে বিক্রি হয়।এরপর সেই মূলধন ব্যবহার করে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন স্পেসএক্স, যার লক্ষ্য ছিল নাসার তুলনায় কম খরচে মহাকাশে পৌঁছানোর প্রযুক্তি তৈরি করা। পাশাপাশি তিনি টেসলায় বিনিয়োগ করেন এবং ২০০৮ সালে কোম্পানিটির প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব নেন।বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি, মহাকাশ গবেষণা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অগ্রগতির সঙ্গে যুক্ত এই সাফল্যের মাধ্যমে ইলন মাস্ক এখন অর্থনীতি ও প্রযুক্তি দুনিয়ার ইতিহাসে এক অনন্য অবস্থান তৈরি করেছেন।