• ঢাকা
  • |
  • বৃহঃস্পতিবার ৯ই বৈশাখ ১৪৩৩ রাত ১২:১৮:৪১ (23-Apr-2026)
  • - ৩৩° সে:
দেশে পেপাল চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

দেশে পেপাল চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে তথ্যপ্রযুক্তির সম্প্রসারণের মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বহুল প্রতীক্ষিত অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে পেপাল চালুর কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে আগামী পাঁচ বছরে ২ লাখ ফ্রিল্যান্সারকে আইডি কার্ড প্রদান এবং হাজারো তরুণকে উচ্চপ্রযুক্তিতে প্রশিক্ষণের মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।২২ এপ্রিল বুধবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আজিজের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।প্রধানমন্ত্রী জানান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীন বিভিন্ন সংস্থা তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারের মাধ্যমে কর্মসংস্থান বাড়াতে নানা পরিকল্পনা ও কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।তিনি বলেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরে ১ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দিয়ে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে গড়ে তোলা হবে এবং ২ লাখ ফ্রিল্যান্সারকে আইডি কার্ড প্রদান করা হবে। ইতোমধ্যে ৭৫০০ জন ফ্রিল্যান্সারকে আইডি কার্ড দেওয়া হয়েছে এবং এই কার্যক্রম চলমান রয়েছে।এছাড়া, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ২০২৬ সালের মধ্যে ২৪০০ জনকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং ও ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মতো উচ্চপ্রযুক্তিতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে বর্তমানে ৮৩টি সেবা অনলাইনে প্রদান করা হচ্ছে এবং আগামী এক বছরের মধ্যে আরও ১০টি নতুন সেবা যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে হাই-টেক ও সফটওয়্যার পার্ক এবং আইসিটি সেন্টারগুলো কার্যকরভাবে পরিচালনা এবং দেশে পেপালের কার্যক্রম চালু করতে ইতোমধ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।অন্যদিকে, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরে ২০টি ব্যাচে প্রায় ১ হাজার স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীকে আইটিইই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি ৫ হাজার ২০ জন চাকরি প্রার্থী ও শিক্ষার্থীকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট, পাইথন প্রোগ্রামিং, ডাটা অ্যানালিটিক্স ও সাইবার সিকিউরিটিসহ বিভিন্ন বিষয়ে স্বল্পমেয়াদি এবং ডিপ্লোমা পর্যায়ের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।এছাড়া প্রায় ৭০০ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিকে বেসিক কম্পিউটার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।