• ঢাকা
  • |
  • শুক্রবার ২৪শে বৈশাখ ১৪৩৩ রাত ০১:২০:০৮ (08-May-2026)
  • - ৩৩° সে:
বিপিএল ফিক্সিং কাণ্ডে ক্রিকেটারসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

বিপিএল ফিক্সিং কাণ্ডে ক্রিকেটারসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

স্পোর্টস ডেস্ক: বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ২০২৫ আসরে ম্যাচ ফিক্সিং ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দীর্ঘ তদন্ত শেষে এক ক্রিকেটারসহ অন্তত ৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে সংস্থাটি।৭ মে বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানায়, অভিযুক্তদের সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে এবং নোটিশ পাওয়ার পর অভিযোগের জবাব দিতে ১৪ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আপাতত আর কোনো মন্তব্য করবে না বলেও জানিয়েছে বোর্ড।অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন ঘরোয়া ক্রিকেটার অমিত মজুমদার, টিম ম্যানেজার মো. লাবলুর রহমান, ফ্র্যাঞ্চাইজির সহ-মালিক মো. তৌহিদুল হক তৌহিদ এবং টিম ম্যানেজার রেজওয়ান কবির সিদ্দিকী।বিসিবির ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ইন্টিগ্রিটি ইউনিট (বিসিবিআইইউ) তদন্তে দুর্নীতির চেষ্টা, জুয়া বা বেটিংয়ে সম্পৃক্ততা, তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং তদন্তকাজে বাধা দেওয়ার মতো অভিযোগের প্রমাণ পেয়েছে।অমিত মজুমদারের বিরুদ্ধে ক্রিকেট ম্যাচের ফলাফল বা অগ্রগতির ওপর বাজি ধরা কিংবা বাজি গ্রহণের অভিযোগ আনা হয়েছে। একই ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে রেজওয়ান কবির সিদ্দিকীর বিরুদ্ধেও।অন্যদিকে, লাবলুর রহমান ও তৌহিদুল হক তৌহিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতিবিরোধী কর্মকর্তার (ড্যাকো) তদন্তে সহযোগিতা না করা, তথ্য গোপন করা এবং তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।এ ছাড়া বিপিএলের নবম, দশম ও একাদশ আসরে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সামিনুর রহমানের বিরুদ্ধে বিসিবি এক্সক্লুডেড পারসন পলিসির আওতায় বহিষ্কারাদেশ জারি করা হয়েছে। তদন্তে তার বিরুদ্ধে জুয়া সংক্রান্ত কার্যক্রম, খেলোয়াড় ও এজেন্টদের দুর্নীতির প্রস্তাব দেওয়া এবং দেশি-বিদেশি বেটিং সিন্ডিকেটের সঙ্গে যোগাযোগের প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়েছে বিসিবি।বিসিবি আরও জানায়, নোটিশ পাওয়ার পর সামিনুর রহমান আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার ত্যাগ করে বহিষ্কারাদেশ মেনে নিয়েছেন।উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের বিপিএল চলাকালেই ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ ওঠে। পরে তৎকালীন বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদের নির্দেশে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। দীর্ঘ তদন্ত শেষে কমিটি প্রায় ৯০০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন জমা দেয়। সেই প্রতিবেদন যাচাই-বাছাই করে বিসিবির ইন্টিগ্রিটি ইউনিট অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্তে পৌঁছায়।