ইরানে সামরিক ক্ষমতা প্রয়োগ ইস্যুতে পঞ্চম ভোটেও জিতে গেলেন ট্রাম্প
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করতে আনা প্রস্তাব পঞ্চমবারের মতো সিনেটে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে চলতি বছর পঞ্চম দফার ভোটাভুটিতেও উতরে গেছেন ট্রাম্প।ডেমোক্র্যাটরা চেয়েছিলেন, ইরানের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে যেকোনো সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার আগে কংগ্রেসের অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হোক। এ লক্ষ্যে সিনেটে একটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। তবে ২২ এপ্রিল বুধবার অনুষ্ঠিত ভোটে প্রস্তাবের পক্ষে ৪৬, বিপক্ষে ৫১ ভোট পড়ে। ফলে প্রস্তাবটি পাস হয়নি।ভোটে ডেমোক্র্যাট সিনেটর জন ফেটারম্যান রিপাবলিকানদের সঙ্গে প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন। অন্যদিকে রিপাবলিকান সিনেটর র্যান্ড পল ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে ভোট দেন।সিনেটের সংখ্যালঘু নেতা চাক শুমার গত সপ্তাহে ঘোষণা দেন, ডেমোক্র্যাটরা প্রতি সপ্তাহে যুদ্ধক্ষমতা সংক্রান্ত একটি করে প্রস্তাব উত্থাপন করবে।এদিকে রিপাবলিকান সিনেটর থম টিলিস ও লিসা মুরকাউস্কি ইঙ্গিত দিয়েছেন, সংঘাত ৬০ দিনে গড়ালে সামরিক শক্তি ব্যবহারের অনুমোদনসংক্রান্ত ভোটে তারা ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন দিতে পারেন। এছাড়া ৯০ দিন পর পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থাকলে রিপাবলিকান নেতৃত্বও অবস্থান পুনর্বিবেচনা করতে পারে।তবে সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা জন থুন গত ২০ এপ্রিল সোমবার সাংবাদিকদের বলেন, এ মুহূর্তে এমন কোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত তিনি দেখছেন না।উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানে হামলার নির্দেশ দেন ট্রাম্প। এরপর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরান আঘাত হানলে দুই পক্ষের মধ্যে প্রায় পাঁচ সপ্তাহ সংঘাত চলে। পরে গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ট্রাম্প এককভাবে এর মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়িয়েছেন। তবে এ বিষয়ে ইরান এখনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি।সূত্র: আল জাজিরা