স্পোর্টস ডেস্ক: লালিগায় নিজেদের শততম ম্যাচ খেলতে নেমে ইতিহাস গড়লেন লামিনে ইয়ামাল। সবচেয়ে কম বয়সে লিগে ১০০ ম্যাচ খেলার মাইলফলক ছোঁয়ার দিনে নিজে গোল করলেন, সতীর্থকে দিয়েও করালেন। ইয়ামালের এই রেকর্ড গড়ার রাতে নগর প্রতিদ্বন্দ্বী এস্পানিওলকে উড়িয়ে শিরোপার দৌঁড়ে অনেকখানি এগিয়ে গেল হান্সি ফ্রিকের দল।
১১ এপ্রিল শনিবার দিবাগত রাতে বার্সেলোনার ঘরের মাঠ ক্যাম্প ন্যুয়ে লা লিগার ম্যাচে এস্পানিওলকে ৪-১ গোলে হারিয়েছে বার্সা। ম্যাচে বার্সেলোনার হয়ে জোড়া গোল করেন ফেররান তরেস। বাকি দুটি গোল আসে ইয়ামাল ও মার্কাস রাশফোর্ডের পা থেকে।


রিয়াল মাদ্রিদ আগের ম্যাচে পয়েন্ট হারানোয় বার্সেলোনার সামনে সুযোগ ছিল ব্যবধান বাড়ানোর। এস্পানিওলকে হারিয়ে সেই সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগাল তারা। ৩১ ম্যাচে ৭৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে আছে বার্সেলোনা। সমান ম্যাচে ৭০ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকা রিয়ালের চেয়ে এখন ৯ পয়েন্টে এগিয়ে বার্সা।

খেলা শুরু হওয়ার আগেই সবার নজর ছিল ইয়ামালের ওপর। মাত্র ১৮ বছর ২৭২ দিন বয়সে লিগে শততম ম্যাচ খেলতে নামেন তিনি। এর মাধ্যমে রিয়াল কিংবদন্তি রাউল গন্সালেসকে পেছনে ফেলে সবচেয়ে কম বয়সে এই কীর্তি গড়লেন তিনি। মাইলফলক ছোঁয়ার এই দিনটিকে একটি গোল ও দুটি অ্যাসিস্ট দিয়ে স্মরণীয় করে রাখলেন এই তরুণ তুর্কি।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবলে এস্পানিওলকে চাপে রাখে বার্সেলোনা। সেই ফলাফল পেতেও দেরি হয়নি হান্সি ফ্লিকের দলের। ম্যাচের দশম মিনিটেই লিড নেয় স্বাগতিক বার্সেলোনা। ইয়ামালের নিখুঁত ক্রস থেকে চমৎকার হেডে গোল করেন ফেররান তরেস। ১০ ম্যাচ পর গোলের দেখা পেলেন এই ফরোয়ার্ড।
ম্যাচের ২৫তম মিনিটে আবারও দেখা মেলে ইয়ামাল-তরেসের রসায়ন। ইয়ামালের বাড়ানো শটে একটু দিক পাল্টে দিয়ে জাল খুঁজে নেন তরেস। নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলকে ২-০ ব্যবধানের লিড এনে দেন এই স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড।
প্রথমার্ধেই বার্নসার আরও দুটি আক্রমণ ব্যর্থ হয়। ম্যাচের ৩১তম মিনিটে ডি বক্সের একটু বাইরে থেকে নেওয়া ফ্রি-কিক একটুর জন্য লক্ষ্যে রাখতে পারেননি ইয়ামাল। আর ৪০তম মিনিটে বার্সার দুটি প্রচেষ্টা আটকে দেন এস্পানিওলের গোলরক্ষক মার্কো দিমিত্রভিচ।
ম্যাচের ৫৪তম মিনিটে আরও একবার এস্পানিওলের জালে বল পাঠিয়েছিলেন তরেস। তবে তাকে বল দেওয়ার আগে এরিক গার্সিয়া অফসাইডে থাকায় মেলেনি গোল। উল্টো পরের মিনিটে গোলহজম করে বসে বার্সা। ম্যাচের ৫৫তম মিনিটে পল লোসানোর গতিময় শট খুঁজে নেয় জাল। ব্যবধান কমে দাঁড়ায় ২-১ এ।
এরপর বেশ কিছুক্ষণ বার্সেলোনাকে চাপে রেখেছিল এস্পানিওল। তবে ৮৭ মিনিটে এস্পানিওল গোলরক্ষকের ভুলে বল পেয়ে ঠান্ডা মাথায় গোল করেন ইয়ামাল। আর ৮৯ মিনিটে ডি ইয়ংয়ের পাস থেকে দলের চতুর্থ গোলটি করেন মার্কাস রাশফোর্ড।
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available