• ঢাকা
  • |
  • শুক্রবার ২৫শে বৈশাখ ১৪৩৩ সন্ধ্যা ০৬:৫১:৪১ (08-May-2026)
  • - ৩৩° সে:
ডেট পার হওয়ার ৯ দিন পর মন্ত্রণালয়ের ফেসবুকে বিজ্ঞপ্তি

ডেট পার হওয়ার ৯ দিন পর মন্ত্রণালয়ের ফেসবুকে বিজ্ঞপ্তি

ডেস্ক রিপোর্ট: পরিবেশ বিজ্ঞানে গবেষণায় তরুণদের উৎসাহিত করতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের একটি সম্মানজনক পুরস্কারের জন্য আবেদন আহ্বান করেছে বাংলাদেশ সরকার। তবে আবেদনের সময়সীমা শেষ হওয়ার ৯ দিন পর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে সেই বিজ্ঞপ্তি প্রচার করায় তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে কর্তৃপক্ষ।৬ মে বুধবার Ministry of Environment, Forest and Climate Change, Bangladesh-এর ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে 'ম্যান অ্যান্ড দ্য বায়োস্ফিয়ার' (MAB) ইয়ং সায়েন্টিস্ট অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এর একটি বিজ্ঞপ্তি পোস্ট করা হয়। ইউনেস্কোর এই কর্মসূচির আওতায় তরুণ গবেষকদের আন্তঃবিষয়ক গবেষণায় স্বীকৃতির জন্য এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, পুরস্কারের মূল্যমান ৫,০০০ মার্কিন ডলার, অনূর্ধ্ব ৩৫ বছর বয়সী তরুণ গবেষকদের বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ বা জলবায়ু পরিবর্তন সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি নিয়ে গবেষণার ব্যাপারে এ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। গবেষকদের ২ বছরের মধ্যে তাদের গবেষণা সম্পন্ন করতে হয়।উল্লেখ্য বিজ্ঞপ্তিটি মন্ত্রণালয়ের ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করা হয়েছে ৬ মে বুধবার। অথচ, বিজ্ঞপ্তির ভেতরে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আবেদনের শেষ তারিখ ছিল ২৮ এপ্রিল ২০২৬। অর্থাৎ, আবেদনের মেয়াদ শেষ হওয়ার দীর্ঘ ৯ দিন পর সাধারণ মানুষকে এই সুযোগ সম্পর্কে জানানো হয়েছে।এই ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রীতিমতো হাসাহাসি ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের পোস্টের নিচে ব্যবহারকারীরা নানা ব্যঙ্গাত্মক ও সমালোচনামূলক মন্তব্য করছেন।সাদ্দাম হোসেন নামের একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, ‘২৮শে এপ্রিল লাস্ট ডেটের পোস্ট আজকে! বাহ!’অন্য একজন ব্যবহারকারী আতিকুল ইসলাম রাহি লিখেছেন, ‘২৮ এপ্রিল ডেডলাইন দিয়ে ৬ মে জানানোর যে ব্যাপারটা’—যা প্রশাসনিক সমন্বয়হীনতার দিকে আঙুল তুলেছে।পরিবেশ ও গবেষণা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞপ্তির ক্ষেত্রে ডিজিটাল প্রচারণার মূল উদ্দেশ্য থাকে তৃণমূল পর্যায়ে সুযোগটি পৌঁছে দেওয়া। কিন্তু ডেট পার হওয়ার পর প্রচার করার কোনো মানে হয় না। এর ফলে মেধাবী অনেক তরুণ গবেষক এই বড় অঙ্কের আর্থিক অনুদান ও আন্তর্জাতিক সম্মাননা পাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হলেন।বিজ্ঞপ্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ৭ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখে। সেখান থেকে মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল উইং পর্যন্ত পৌঁছাতে কেন এক মাস সময় লাগলো এবং সময় পার হওয়ার পর কেন পোস্ট করা হলো, সে বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।