কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে সড়ক দুর্ঘটায় নাইম হোসেন (২০) নামের এক মোটরসাইকেল চালক নিহত হয়েছে। এসময় আজিজুল ইসলাম (২১) নামে অপর একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

২১ জানুয়ারি বুধবার সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নাইম ফুলবাড়ী উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের অনন্তপুর এলাকার গোলাম মোস্তফার ছেলে। আহত আজিজুল নাগেশ্বরী উপজেলার পশ্চিম রামখানা এলাকার আলতাফ হোসেনের ছেলে।


পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বুধবার সকালে নাইম হোসেন ও আজিজুল ইসলাম দুজনে মোটরসাইকেল যোগে নাখারগঞ্জ থেকে নাগেশ্বরী যাওয়ার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সান্তোষপুর ইউনিয়নের গোপালপুর ডাঙ্গিরপাড় ব্রিজের নিকট ইউকেলিপ্টাস গাছের সাথে ধাক্কা লাগলে ঘটনাস্থলে নাইমের মৃত্যু হয়।
আজিজুলকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে তাকে রংপুর মেডিকেলে রেফার্ড করা হয়। এদিকে দুর্ঘটনার পর নাগেশ্বরী ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে প্যাকেটে ভরলে ওই এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
এ সময় স্থানীয় ও নিহতের পরিবারের লোকজন ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের বাধা উপক্ষো করে তাদের কাছ থেকে জোরপূর্বক মরদেহ নিয়ে ফুলবাড়ী উপজেলায় চলে যায়। মরদেহ নিয়ে যাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে ততক্ষণে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
নাগেশ্বরী ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন ইনচার্জ শাহাদৎ হোসেন বলেন, সংবাদ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহ নিয়ে পুলিশের অপেক্ষায় ছিলাম। তবে ততক্ষণেও পুলিশ উপস্থিত হননি। এদিকে স্থানীয় এক বিজিবি সদস্য নিহতের খালাতো ভাইয়ের পরিচয় দিয়ে মরদেহ নিয়ে যেতে চাইলে আমরা বাধা দেই। বাধা দেয়ায় এক পর্যায়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে উত্তপ্ত জনতা ও পরিবারের লোকজন মরদেহ নিয়ে যায়। পুলিশ না থাকায় আমাদের করার কিছু ছিলো না।
এ বিষয়ে নাগেশ্বরী থানার এসআই মকবুল হোসেন বলেন, আমরা সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি মরদেহ নেই। ফায়ার সার্ভিসের লোকজনের উপস্থিতিতে সেখানকার উত্তপ্ত জনতা মরদেহ নিয়ে গেছে। যেহেতু দুর্ঘটনায় নিহতের বাড়ি ফুলবাড়ী থানায় তাই বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় আমরা বিষয়টি জানিয়েছি।
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available